উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও

ICT শিক্ষক ল্যাবের সকল কম্পিউটারকে প্যাঁচানো তার দিয়ে যুক্ত করে একটি নেটওয়ার্ক স্থাপন করেন। পরবর্তীতে তিনি বিশেষভাবে পরিশুদ্ধ কাঁচের তৈরি ক্যাবল ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেন।

শিক্ষকের সিদ্ধান্তের ফলে নেটওয়ার্কে –
i. শক্তির অপচয় কম হবে
ii. ডেটা বিদ্যুৎ চৌম্বক প্রভাবমুক্ত হবে
iii. ইনস্টলেশন ব্যয় কম হবে
নিচের কোনটি সঠিক?

Updated: 1 year ago
  • ক
    i ও ii
  • খ
    i ও iii
  • গ
    ii ও iii
  • ঘ
    i, ii ও iii
558
ব্যাখ্যাঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত ICT শিক্ষক প্রথমে প্যাঁচানো তার (twisted pair cable) ব্যবহার করে একটি নেটওয়ার্ক স্থাপন করেন এবং পরবর্তীতে বিশেষভাবে পরিশুদ্ধ কাঁচের তৈরি ক্যাবল (অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল) ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেন। অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল ডেটা স্থানান্তরের জন্য আলোক সংকেত ব্যবহার করে, যা প্যাঁচানো তারের বিদ্যুৎ সংকেতের তুলনায় অনেক বেশি সুবিধা প্রদান করে। শিক্ষকের এই সিদ্ধান্তের ফলে নেটওয়ার্কে কী কী পরিবর্তন আসবে তা নিচের ব্যাখ্যায় উল্লেখ করা হলো:

  • i. শক্তির অপচয় কম হবে: অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবলে ডেটা আলোর পালস আকারে পরিবাহিত হয়। এই আলো অনেক কম শক্তি ক্ষয় করে দীর্ঘ দূরত্ব অতিক্রম করতে পারে। অন্যদিকে, প্যাঁচানো তারে ডেটা বিদ্যুৎ সংকেত হিসেবে যায়, যা রেজিস্ট্যান্সের কারণে দ্রুত শক্তি হারায় এবং সিগন্যালকে শক্তিশালী করতে বারবার রিপিটার ব্যবহারের প্রয়োজন হয়। ফলে অপটিক্যাল ফাইবার নেটওয়ার্কে সামগ্রিকভাবে শক্তির অপচয় কম হয়।
  • ii. ডেটা বিদ্যুৎ চৌম্বক প্রভাবমুক্ত হবে: অপটিক্যাল ফাইবার যেহেতু আলোক সংকেত ব্যবহার করে ডেটা পরিবহন করে, তাই এটি বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় প্রভাব (Electromagnetic Interference - EMI) এবং রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি প্রভাব (Radio Frequency Interference - RFI) থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত। প্যাঁচানো তার এই ধরনের প্রভাব দ্বারা সহজেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যা ডেটা ট্রান্সমিশনে ত্রুটি সৃষ্টি করতে পারে। অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহারের ফলে ডেটা আরও সুরক্ষিত ও নির্ভরযোগ্যভাবে স্থানান্তরিত হয়।
  • iii. ইনস্টলেশন ব্যয় কম হবে: প্রচলিত ধারণায় অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবলের প্রাথমিক স্থাপন ব্যয় (যেমন: ক্যাবল, কানেক্টর, ইন্সটলেশন টুলস এবং বিশেষায়িত জনবল) প্যাঁচানো তারের চেয়ে বেশি বলে মনে হতে পারে। তবে, দীর্ঘমেয়াদী দৃষ্টিকোণ থেকে এবং বড় আকারের নেটওয়ার্কের ক্ষেত্রে, অপটিক্যাল ফাইবার বেশ কিছু সুবিধা প্রদান করে যা সামগ্রিক ইনস্টলেশন ব্যয়কে কার্যকরভাবে কমিয়ে আনতে পারে। যেমন, অপটিক্যাল ফাইবার অত্যন্ত দীর্ঘ দূরত্বে ডেটা পাঠাতে পারে এবং এর জন্য খুব কম বা কোনো রিপিটার/অ্যামপ্লিফায়ারের প্রয়োজন হয় না, যেখানে প্যাঁচানো তারের জন্য নির্দিষ্ট দূরত্বের পর পরই রিপিটার ব্যবহার করতে হয়। এছাড়াও, অপটিক্যাল ফাইবারকে বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় প্রভাব থেকে রক্ষা করার জন্য অতিরিক্ত শিল্ডিং বা জটিল গ্রাউন্ডিং সিস্টেমের প্রয়োজন হয় না, যা প্যাঁচানো তারের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় হতে পারে এবং ইনস্টলেশন ব্যয় বাড়িয়ে দেয়। উচ্চ ব্যান্ডউইথের চাহিদা পূরণের জন্য যদি প্যাঁচানো তারের একটি জটিল এবং উচ্চ-মানের সিস্টেম তৈরি করতে হয়, তবে সে তুলনায় ফাইবার অপটিকের সামগ্রিক ইনস্টলেশন এবং ভবিষ্যতের আপগ্রেড খরচ কম হতে পারে।

উপরিউক্ত আলোচনা থেকে বোঝা যায়, অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল ব্যবহারের ফলে নেটওয়ার্কে শক্তির অপচয় কম হবে, ডেটা বিদ্যুৎ চৌম্বক প্রভাবমুক্ত হবে এবং কিছু নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে বা দীর্ঘমেয়াদী বিবেচনায় ইনস্টলেশন ব্যয়ও তুলনামূলকভাবে কম হতে পারে।

অতএব, i, ii ও iii - তিনটি বিবৃতিই সঠিক।

Satt AI
Satt AI
3 months ago

এ পদ্ধতিতে তথ্য আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে খাত তার ব্যবহৃত হয়। নির্দিষ্ট কোনো পথে বৈদ্যুতিক সংকেত পাঠনোর জন্য মাধ্যম হিসেবে কপার বা অ্যালুমিনিয়ামের ভার বা ক্যাবল ব্যবহার করে ডেটা কমিউনিকেশনের ব্যবস্থা করা হয়। এটি ক্যাবল গাইডেড মিডিয়া। যোগাযোগ ব্যবস্থায় ব্যবহারের ভিন্নতার উপর তার বা ক্যাবলের ভিন্নতা রয়েছে, নিচে এগুলো ব্যাখ্যা করা হলো :

টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল (Twisted pair cable)

দুটি পরিবাহী ভারকে পরস্পর সুষমভাবে পেঁচিয়ে টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল তৈরি করা হয়। টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল দুধরনের হয়ে থাকে, আনশিল্ডেড টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল (UTP : Unshielded Twisted Pair) এবং শিন্ডেড টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল (STP: Shielded Twisted Pair)। সাধারণ কপার নির্মিত এ সব ক্যাবলে মোট চার ঘোড়া তার প্রতিটি পৃথক অপরিবাহী পদার্থের আবরণে (ইন্সুলেটর) আবৃত থাকে। প্রতি জোড়া ভারে একটি কমন রঙের (সাদা রঙের) আরেকটি ভিন্ন রঙের (যেমন : নীল, সবুজ, কমলা ও বাদামি) তারের সাথে প্যাঁচানো থাকে। প্রতি জোড়া ভার পৃথক অপরিবাহী আবরণে আবৃত করা থাকে। এ ধরনের ক্যাবল ব্যবহার করে 100 মিটারের বেশি দূরত্বে কোনো ডেটা প্রেরণ করা যায় না। ক্যাটাগরির ভিত্তিতে এর ব্যান্ডউইথ 10 Mbps থেকে 1 Gbps পর্যন্ত হতে পারে, তবে দুরত্ব বাড়তে থাকলে ডেটা ট্রান্সফার রেট কমতে থাকে। বাসা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল ব্যবহৃত হয়।

কো-এক্সিয়াল ক্যান (Co-andal Cable)

কো-এক্সিয়েল ক্যাবল ভাষা বা কপার নির্মিত মূলত তিনটি স্তর বিশিষ্ট তারের ক্যাবল, কেন্দ্রস্থলে একটি শক্ত তামার ভারের কক্ষাক্টর, সেটিকে বৃত্তাকারে ঘিরে প্লাস্টিকের অপরিবাহী স্তর এবং এই ভরকে ঘিরে ভাষার তারের একটি জাল বা শিক্ষ (Braided Shield)। অনেক সময় শিক্ষ এবং প্লাস্টিক অপরিবাহী স্তরের মাঝে একটি মেটালিক ফয়েলও থাকে। সবশেষে রাবারের অপরিবাহী পুরু স্তর এই ক্যাবলটিকে আবৃত করে রাখে। তামার তারের জালি এবং মেটালিক ফয়েলটি একসাথে আউটার কন্ডাক্টর (Outer conductor) হিসেবে বাইরের সকল প্রকার বৈদ্যুতিক প্রভাব থেকে মুক্ত রাখে। বাইরের শিশু এবং কেন্দ্রীয় তামার তারের অক্ষ (axis) একই থাকার দরুন এর নামকরণ কো-এক্সিয়েল করা হয়েছে। কো-এক্সিয়েল ক্যাবলে ডেটা ট্রান্সফার রেট টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবলের তুলনায় অনেক বেশি হয়ে থাকে। কো-এক্সিয়েন ক্যাবলের ডেটা ট্রান্সমিশন লস্ অপেক্ষাকৃত কম এবং সহজে বাস্তবায়নযোগ্য। ডিজিটাল এবং এনালগ উভয় ধরনের ডেটা এই ক্যাবলের মাধ্যমে প্রেরণ করা যায়। ক্যাবল টি.ভি. নেটওয়ার্কিংয়ের ক্ষেত্রে এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণায় বিভিন্ন ল্যাবরেটরিতে ব্যাপকভাবে ব্যাবহৃত হয়। কো-এক্সিয়াল ক্যাবল দুধরনের হয়- বিননেট (Thinnet) এবং থিকনেট (Thicknet)।

থিননেট (Thinnet) : থিননেট হালকা ও নমনীয় তার। এই তার 10BASE-2 নামেও পরিচিত। এ ক্যাবলটি দ্বারা রিপিটার (দূর্বল সংকেতকে শক্তিশালী সংকেতে বিবর্ধিত (Amplity) করা) ছাড়া সর্বোচ্চ 185 মিটার দূরত্বে প্রতি সেকেন্ডে 10 মেগাবাইট ডেটা আদান-প্রদান করা যায় ।

থিকনেট (Thicknet) : থিকনেট ভারী ও নন-ফ্লেক্সিবল ক্যাবল। এই তার 10BASE-5 নামেও পরিচিত। এ ক্যাবলটি দ্বারা সর্বোচ্চ 500 মিটার দূরত্বে প্রতি সেকেন্ডে 10 মেগাবাইট ডেটা সহজেই আদান-প্রদান করা যায়।

ফাইবার অপটিক ক্যাবল (Fiber Optic Cable) : ফাইবার অপটিক ক্যাবল বিশেষভাবে পরিশুদ্ধ কাচের তৈরি অত্যন্ত সূক্ষ্ম তন্তু, যদিও বিশেষায়িত কাজের জন্য প্লাস্টিক বা অন্য কোনো স্বচ্ছ মাধ্যমের তৈরি ফাইবার অপটিক ক্যাবলও পাওয়া যায়। ফাইবার অপটিক ক্যাবলের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এটি ইনফ্রা রেড আলোর একটি রেঞ্জের ভেতর (1300- 1500nm ) অবিশ্বাস্য রকম স্বচ্ছ, তাই শোষণের কারণে বিশেষ কোনো লস ছাড়াই এর ভেতর দিয়ে সিগন্যাল দীর্ঘ দূরত্বে নেয়া যায়।

ফাইবার অপটিক ক্যাবলের কেন্দ্রের অংশটুকুর প্রতিসরাংক বাইরের অংশের প্রতিসরাংক থেকে বেশি। যে অংশের প্রতিসরাংক বেশি তাকে কোর (Core) বলে, এবং যে অংশের প্রতিসরাংক কম তাকে ক্ল্যাড ( Clad) বলে। প্রতিসরাংকের পার্থক্যের কারণে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের মাধ্যমে কোনো লস ছাড়াই কোরের ভেতর দিয়ে আলো যেতে পারে। (তবে কোরের ভেতর আলো প্রতিফলন থেকে ভিন্ন প্রকৃতির) ফাইবার অপটিক এটি তৈরি করার সময়েই পাতলা প্লাস্টিকের আবরণে আবৃত্ত করে ফেলা হয়। ব্যবহারের আগে কেডলারের জালি এবং পলিমারের (চিত্র 2.9) আবরণে ঢেকে নেয়া হয়। ক্যাবল তৈরি করার সময় বেশ কয়েকটি ফাইবারকে একত্র করে পলিমারের আবরণে ঢেকে নেয় হয় । ফাইবার বাঁকা করলে সেখানে লস হতে পারে বলে ক্যাবলের ভেতর একটি সরু ধাতব রড ঢুকিয়ে রাখা হয়।

সিঙ্গেল মোড এবং মানটি মোড ফাইবার : অণ্টিক্যাল ফাইবারের ব্যাস ১৫০ মাইক্রনের মতো হয়। ফাইবারের কোরের ব্যাস ৮ থেকে শুরু করে ১০০ মাইক্রন পর্যন্ত হতে পারে (চিত্র 2.10)। কোরের ব্যাস যখন ৮ থেকে ১২ মাইক্রন হয় তখন সেটিকে সিঙ্গেন মোড ফাইবার বলে, কারণ তখন শুধু একটি মোড ফাইবারের কেন্দ্র দিয়ে যেতে পারে। দূরপাল্লার হাই স্পিড ট্রান্সমিশনে সব সময় সিঙ্গেল মোড ফাইবার ব্যবহার করা হয়। কোরের ব্যাস অত্যন্ত কম হওয়ায় এই ফাইবারের প্রযুক্তি তুলনামূলকভাবে ব্যয়সাধ্য।

ফাইবারের কোরের ব্যাস যদি ৫০ থেকে ১০০ মাইক্রনের মতো হয় তখন তার ভেতর অসংখ্য মোড যেতে পারে, একেকটি মোড একেকভাবে যায় বলে আলোর সিগন্যালে বিকৃতি হয় বলে এই ফাইবার শুধু স্বল্প দূরত্বে কম স্পিডের কাজে ব্যবহার হয়। কোরের ব্যাস বেশি বলে প্রযুক্তি তুলনামূলকভাবে সহজ এবং মূল্য সাশ্রয়ী।

লেজার : ফাইবার অপটিক কমিউনিকেশন সত্যিকার অর্থে কাজ করার ন্য 1300nm থেকে 1500nm লেজার উদ্ভাবনের জন্য অপেক্ষা করতে হয়েছিল। এলইডি (LED) -এর আলোতে তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সুনির্দিষ্ট না হওয়ায় ফাইবারের ভেতর দিয়ে যাওয়ার সময় বিচ্ছুরণের (Dispersion) কারণে সিগন্যালের বিচ্যুতি ঘটে, সেজন্য এটি দীর্ঘ দুরত্বে ব্যবহার করা যায় না। লেজারের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সুনির্দিষ্ট ৰলে এটি দূরপাল্লার কমিউনিকেশনে ব্যবহার করা যায়।

যদিও 1300nm এবং 1500nm এই দুই তরঙ্গ দৈর্ঘ্যে ফাইবার অপটিক কমিউনিকেশন করা সম্ভব কিন্তু 1500 nm তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের জন্য ফাইবার এমপ্লিফায়ার উদ্ভাবনের কারণে দূরপাল্লার কমিউনিকেশনে বর্তমানে প্রায় একচেটিয়াভাবে 1500 nm তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।

Related Question

View All
  • ক
    টুইস্টেড পেয়ার কেবল
  • খ
    অপটিক্যাল ফাইবার
  • গ
    কো-অ্যাক্সিয়াল কেবল
  • ঘ
    বায়ু
201
Updated: 8 months ago
  • ক
    রেডিও তরঙ্গ
  • খ
    অপটিক্যাল ফাইবার
  • গ
    মাইক্রোওয়েভ
  • ঘ
    ইনফ্রারেড
167
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews

Question Analytics

মোট উত্তরদাতা

জন

সঠিক
ভুল
উত্তর নেই